Ads

ভারতের রাজধানী দিল্লি থেকে দক্ষিণের শহর ব্যাঙ্গালুরু যাচ্ছিল ইন্ডিগোর একটি বিমান। আচমকাই এক যাত্রীর প্রসব বেদনা শুরু হয়।

 

সঙ্গে সঙ্গে বিমানকর্মীরা সাহায্যে এগিয়ে আসেন। মাঝ আকাশে জন্ম নেয় এক পুত্রসন্তান। ব্যাঙ্গালুরুতে অবতরণের পর সেই ‘প্রি-ম্যাচিওর’ শিশুকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে।

তার আগে রীতিমতো উৎসবের আমেজে বিমানবন্দরে স্বাগত জানানো হয় নবজাতককে। ইন্ডিগো কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দিয়েছে, এই শিশু বড় হয়েও সারা জীবন তাদের বিমানে বিনা খরচে যাতায়াত করতে পারবে।

 

বুধবার সন্ধ্যা স্থানীয় সময় ৭টা ৪০ মিনিট নাগাদ ইন্ডিগোর বিমানে জন্ম হয় ওই শিশুর। জানা গেছে, মা ও সদ্যজাত এখন একেবারে সুস্থ।

 

তবে বিমানের মধ্যে প্রসব খুব সহজ ছিল না। ওই বিমানের ক্যাপ্টেন সঞ্জয় শর্মা জানিয়েছেন, ওই নালী যখন প্রসব বেদনা অনুভব করেন তখন বিমান মাঝ আকাশে।

সৌভাগ্যবশত যাত্রীদের মধ্যে দু’জন ছিলেন চিকিৎসক। একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ অপরজন একজন সার্জন। চিকিৎসকরা ওই নারীকে বিমানের শৌচাগারের দিকে নিয়ে যান। ততক্ষণে তার রক্তক্ষরণ শুরু হয়েছে।

 

স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও বিমানকর্মীরা মিলে বিমানের গ্যালারিতে অস্থায়ী লেবার রুম বানান। কী হয়, কী হয় চিন্তায় বিমানে সবার মধ্যেই উদ্বেগ। এরই মধ্যে বিমান ভরে ওঠে সদ্যজাতের কান্নার শব্দে। স্বস্তি পান সবাই।

 

মাঝ আকাশে শিশুর জন্মের পর বিমানকর্মীরা যেভাবে আনন্দ করেছেন, তার ছবি ও ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে ভাইরাল। বিমান সংস্থা, কর্মী এবং চিকিৎসকদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটিজেনরা।

 

বিমানে এক শিশুর জন্ম হয়েছে, সে খবর অবশ্য আগেই পৌঁছে গিয়েছিল ব্যাঙ্গালুরু বিমানবন্দরে। ফলে সেখানে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতিও নিয়েছিলেন কর্মীরা। করতালি আর মুর্হুর্মুহু ক্যামেরার ফ্ল্যাশের মধ্যে হুইল চেয়ারে বসা মায়ের কোলে শুয়ে মাটিতে নেমে আসে আকাশে জন্ম নেয়া শিশু।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here